পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ মার্চ ২০১৮

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় (ভূতপূর্ব সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়) দেশের সার্বিক পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত। মন্ত্রণালয়ের ৮/৯০(অংশ-১)/৬১৮, তারিখঃ ১৪-০৯-১৯৯৪ খ্রিঃ স্মারক অনুযায়ী ভূতপূর্ব সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়কে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় হিসেবে নামকরণ করা হয় । এ মন্ত্রণালয় পানি সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা এবং এর আওতাধীন দপ্তরসমূহের পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সকল প্রকার নীতি, পরিকল্পনা, কর্মকৌশল, নির্দেশমালা এবং আইন, বিধি-বিধান, রেগুলেশন ইত্যাদি প্রণয়ন করে থাকে। এ মন্ত্রণালয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও নিষ্কাশন, নদীতীর ভাঙ্গন প্রতিরোধ, ব-দ্বীপ উন্নয়ন, ভূমি পুনরুদ্ধার ইত্যাদি বিষয়ে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তুত ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যারেজ, রেগুলেটর, স্লুইস, খাল, বেড়িবাঁধ, রাবার ড্যাম, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, উপকূলীয় বাঁধ নির্মাণ ও খাল খনন-পুনঃখনন করে সেচ, জলাবদ্ধতা নিরসন, বন্যা প্রতিরোধ, নদীর তীর ভাঙ্গন প্রতিরোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার ইত্যাদি সেবাসমূহ প্রদান করে থাকে।

কর্ম-পরিধি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রুলস অব বিজনেস এর এলোকেশন অব বিজনেস অনুযায়ী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্ম-পরিধি নিম্নরুপঃ 
১. নদী এবং নদী অববাহিকার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ;
২. সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, নিষ্কাশন এবং নদীভাঙ্গন ক্ষেত্রে সাধারণ নীতি প্রণয়ন ও কারিগরি সহায়তা প্রদান;
৩. সেচ, বন্যা-পূর্বাভাস এবং সতর্কীকরণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্থাপনা, বন্যার কারণ এবং বন্যার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়-ক্ষতি সম্পর্কিত সকল বিষয়াবলী;
৪. নদী অববাহিকা প্রকল্প এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ স্থাপনা বিষয়ে মৌলিক, প্রধান এবং ফলিত গবেষণা পরিচালনা;
৫. বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি সম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা;
৬. সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক কমিশন এবং কনফারেন্স; 
৭. বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নদী ড্রেজিং, খাল খনন এবং রক্ষণাবেক্ষণ; খাল খনন কর্মসূচির আওতায় খালের উপর পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ এবং রক্ষণাবেক্ষণ;
৮. ভূমি সংরক্ষণ, নিষ্কাশন এবং জলাবদ্ধতা বিষয়ক কার্যাবলী;
৯. পানি সংরক্ষণ জলাধার নির্মাণ, বাঁধ এবং ব্যারেজ নির্মাণ বিষয়ক কার্যাবলী;
১০. ভূমি পুনরুদ্ধার, মোহনা নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কার্যাবলী;
১১. লবণাক্ততা এবং মরুকরণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;
১২. হাইড্রোলজিকাল জরিপ এবং উপাত্ত সংগ্রহ;
১৩. যৌথ নদী কমিশন, যৌথ কমিটি, স্থায়ী কমিটি ইত্যাদি এবং অভিন্ন সীমান্ত নদী সম্পর্কিত সকল কার্যাবলী;
১৪. আর্থিক বিষয়াবলীসহ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক সচিবালয়;
১৫. মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থাসমূহের প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ;
১৬. মন্ত্রণালয়ের কর্ম-পরিধির আওতায় বর্ণিত বিষয়াবলীতে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশ এবং বিশ্ব সংস্থাসমূহের সাথে সম্পাদিত চুক্তি বিষয়ে লিয়াজোঁ;
১৭. মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সকল বিষয়ক আইন কানুন;
১৮. মন্ত্রণালয়কে বণ্টিত বিষয়াবলীর উপর অনুসন্ধান এবং পরিসংখ্যান;  
১৯. আদালতে গৃহীত ফি ছাড়া মন্ত্রণালয়কে বণ্টিত বিষয়সমূহের উপর প্রযোজ্য ফি আদায়।
 
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে একজন কেবিনেট মন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী। সরকারি রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী মাননীয় মন্ত্রীদ্বয় মন্ত্রণালয়ের কর্মকান্ড বাস্তবায়নের সার্বিক দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রণালয়ে একজন সিনিয়র সচিব রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হিসেবে তিনি মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ/সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ যথাঃ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ  হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর, যৌথ নদী কমিশন; বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম) এবং সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (ঈঊএওঝ) এর কর্মকান্ড আইন অনুযায়ী নিষ্পন্ন করেন। এছাড়াও, প্রিন্সিপাল একাউন্টিং অফিসার হিসেবে সচিব মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ/সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের ব্যয়ের যথার্থতা নিশ্চিতকরণের দায়িত্বও পালন করেন। 
মন্ত্রণালয়ের সকল কার্য্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ৪টি অনুবিভাগ রয়েছে। এগুলো হলো: (১) প্রশাসন অনুবিভাগ, (২) উন্নয়ন অনুবিভাগ, (৩) পরিকল্পনা অনুবিভাগ এবং (৪) বাজেট ও অডিট অনুবিভাগ।
 

Share with :
Facebook Facebook